সোনা পাতা কি ওজন কমায় সোনা পাতার কার্যকারিতা

সোনা পাতা কি ওজন কমায় এই প্রশ্নটা অনেকেই করে থাকেন। তাই যারা জানে না সোনা পাতা খেলে ওজন কমানো যায় কিনা তাদের জন্য আজকের পোস্টটিতে কার্যকরী হবে। সোনা পাতা কি বা কিভাবে খেতে হয় এর উপকারিতা আছে কিনা আজকের সকল কিছু জানানোর চেষ্টা করব। 
সোনা-পাতা-কি-ওজন-কমায়

সোনা পাতা এই নামটির সঙ্গে অনেকেই পরিচিত আবার অনেকেই অপরিচিত। সোনা পাতা আসলে এক ধরনের ভেষজ উদ্ভিদ যা আমাদের পেটের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। চলুন আজকের পোস্টে সোনা পাতার উপকারিতা এবং যে সকল কার্যকারিতা আছে সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা যাক।  

পোস্ট সূচিপত্রঃ সোনা পাতা কি ওজন কমায় 

সোনা পাতা কি ওজন কমায় 

সোনা পাতা কি ওজন কমায়? হ্যাঁ অবশ্যই সোনা পাতা ওজন কমায়। আমাদের ওজন কিভাবে বাড়ে এটা অবশ্যই আমরা জানি। কারণ যখন আমরা খাবার খাই কিন্তু খাবারগুলো হজম হয়ে আমাদের শরীরে পেটের মধ্যে জমা থাকে। ফলে আমাদের কোষ্ঠকাঠিন্য হয়ে থাকে পেট ফেটে যায়। তখন যদি এই সোনা পাতা খাওয়া যায় পেটের সমস্যা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় ফলে ওজন অনেক হ্রাস পায়।

সোজা ভাষায় বলতে গেলে সোনা পাতা খেলে আমাদের অন্ত্রের বর্জ্য দ্রুত বের করে আনতে সহায়তা করে। ওজন অনেক কমে যায়। পেট পরিষ্কার করে এবং শরীর থেকে ক্ষতিকর বর্জ্য বের করে আনতে সহায়তা করে। বদহজম হলে সেটি দূর করতে সাহায্য করে। যারা ওজন কমাতে চান তারা প্রতিনিয়ত এ সোনা পাতা খেতে পারেন। তবে এটি দীর্ঘমেয়াদী ওজন কমানোর উপায় না। 

আরো পড়ুনঃ প্রতিদিন টক দই খাওয়ার বিস্ময়কর উপকারিতা ও সতর্কতা

সোনা পাতা খাওয়ার ফলে শরীর থেকে বিভিন্ন ধরনের টক্সিন বের করে আনতে সাহায্য করে ফলে আমাদের ওজন কমায়। যাদের নিয়মিত অন্ত্রের বজ্র বের হয় না তারা এ সোনা পাতা সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন খেতে পারেন। এছাড়া সোনা পাতা খাওয়ার ফলে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়। শরীর অনেকটা হালকা হয় এবং পেটের সমস্যা দূরীভূত করে। 

সোনা পাতা চেনার উপায়

সোনা পাতা দেখতে সাধারণত সবুজ হালকা হলুদ রঙের পাতার মত । এছাড়া এটি দেখতে লম্বা আকৃতির হয়ে থাকে এবং মাঝারি সাইজের। এই গাছের পাতা অনেকটা মেহেদি পাতার মত। এই গাছে ছোট ছোট হলুদ রঙের ফুল ধরে। সোনা পাতা প্রায় ৩ থেকে ৬ সেন্টিমিটার লম্বা হয়ে থাকে আর চওড়া ১ থেকে ২ সেন্টিমিটার। পাতার প্রান্ত গুলো মসৃণ এবং কিছুটা গোলাকার। 

খানা পাতা দেখতে খুব চকচকে কাঁচা অবস্থায় এগুলো সবুজ। যখন এ পাতাগুলো শুকিয়ে যায় তখন কিছুটা হলুদাভ এবং সবুজ অথবা বাদামি রং হয়। পাতাগুলো গাছের শাখায় জন্মে। পাতা গুলা জোড়া জোড়া জন্মে। এক একটি শাখায় ৪ থেকে ৮ জোড়া পাতা দেখা যায়। পাতাগুলো খুবই চকচকে এবং পৃষ্ঠ মসৃণ হয়। পাতাগুলোর তেমন কোন গন্ধ নাই, গন্ধ মুক্ত।

সোনা পাতা খাওয়ার উপকারিতা 

সোনা পাতা খাওয়ার উপকারিতা অবশ্যই রয়েছে। যারা সোনা কথা খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানেনা তারা আজকের পোস্টটিতে চোখ রাখতে পারেন। আজকের পোস্টে সোনা পাতা সম্পর্কে বিস্তারিত আপনাদের জানানো হবে এবং আপনাদের উপকারে আসে এই ধরনের আলোচনা আমরা করতে চলেছি। কি কি উপকারিতা সোনা পাতা খাওয়ার ফলে পাওয়া যায় আলোচনা করা যাক। 
সোনা-পাতা-কি-ওজন-কমায়

  • বিশেষ করে সোনা পাতা যেটার জন্য বেশি বিখ্যাত সেটা হচ্ছে কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে বেশি ব্যবহৃত হয়।
  • এছাড়াও সোনা পাতা খাওয়ার ফলে ওজন কমানো যায়। অর্থাৎ কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। 
  • সোনা পাতা খাওয়ার ফলে অন্ত্রের বজ্র অথবা মল বের করে দিতে সাহায্য করে থাকে। 
  • এছাড়াও অন্তরের পাচনতন্ত্র উন্নত করতে সাহায্য করে।
  •  এছাড়া সোনা পাতা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে।

সোনা পাতায় রাসায়নিক উপাদান সমূহ 

সোনা পাতায় রাসায়নিক উপাদান সমূহ খুবই উপকারী শরীরের জন্য। সোনা পাতায় বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক উপাদান রয়েছে এবং প্রত্যেকটি উপাদান শরীরের ভিন্ন ভিন্ন উপকার করে থাকে। সোনা পাতার যে অংশটুকু কার্যকরী সেটা হলো পাতা। পাতায় বিভিন্ন সক্রিয় উপাদান রয়েছে। সোনা পাতা অন্ত্রের মল নরম করে অন্ত্র থেকে মল বেরিয়ে আসতে সহযোগিতা করা। সিনোসাইড রাসায়নিক উপাদানটি তন্ত্রের মল নরম করতে সাহায্য করে।

আরো পড়ুনঃ চুলের যত্নে কালোকেশীর ব্যবহার কেশরাজ পাতার উপকারিতা

গ্লাইকোসাইডস এই উপাদানটি অন্ত্রের পরিপাক প্রক্রিয়া উন্নত করতে এবং পেশিগুলো খুব ক্রিয়াশীল করতে সাহায্য করে। ফ্লাভনইডস এ উপাদানটি এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের কোষ গুলোকে বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদান থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। সোনা পাতাই টেনিনাস নামক এক ধরনের যোগ্য রয়েছে যা দেহের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে। 

এছাড়াও সোনা পাতায় রয়েছে রেজিন, মিউসিলেজ অ্যান্থাকুইনোন এই সকল উপাদান দের বিভিন্ন ধরনের কার্যকারিতা সক্ষম রাখে। এছাড়াও কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে দূর করে, রেচন প্রক্রিয়া সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও সোনা পাতায় সামান্য পরিমাণে ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান রয়েছে। এছাড়াও ফেনোলিক যৌগ এই সোনা পাতায় রয়েছে ফলে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া গুলোকে ধ্বংস করে।

সোনা পাতা ব্যবহৃত অংশ 

সোনা পাতা ব্যবহৃত অংশ গুলো কি কি এটা অনেকেই জানে না। চলুন আজকের সোনা পাতার গাছের কোন কোন অংশগুলো ব্যবহার করা যায় আজকে বিস্তারিত জানাবো। সোনা পাতা গাছের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পাতায় বেশি কার্যকর উপকারী এবং বেশি ব্যবহার করা হয়। তবে এর ছাল, ফল, শিকড় ব্যবহার করা যায়।

সোনা পাতার এই অংশগুলো ব্যবহার করে পেটের বিভিন্ন সমস্যা নির্মূল করা যায় যেমন ডায়রিয়া, পেটে ব্যথা, এবং বিভিন্ন প্রদাহ কমানোর জন্য এ সকল অংশ ব্যবহার করা হয়। তবে বিশেষ করে এর পাতায় বেশি ব্যবহার করা হয়। সোনা পাতা গাছের ছাল এন্টিসেপটিক এবং ডিটক্সিফিকেশন গুণাবলী রয়েছে। পাতায় বেশি ব্যবহৃত হয় ফল এবং মূল কম ব্যবহার করা হয়। 

কিভাবে সোনা পাতা সংগ্রহ করা যায় 

সোনা পাতা বিভিন্নভাবে সংগ্রহ করা যায়। বিশেষ করে শোনা কথা সংগ্রহ করার জন্য এর পাতার চেনা সবচাইতে বেশি জরুরী। কারণ এটি খুব প্রচলিত এক ধরনের পাতা নয় যে সহজেই চেনা যাবে অনেকেই এই সোনা পাতা সম্পর্কে জানে না। তাই যারা জানে তাদের পরামর্শ নিয়ে এবং তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে এ সোনা পাতা সংগ্রহ করা উচিত। 

আরো পড়ুনঃ আদা লেবু চা এর উপকারিতা ও কার্যকরী গুনাগুন

তবে এটি সংগ্রহ করার জন্য সঠিক সময় হচ্ছে ফুল ফোটার আগেই পাতাগুলো সংগ্রহ করা উচিত। সুন্দর পাতা এবং রোগমুক্ত সুস্থ পাতাগুলো বেছে গাছ থেকে তুলুন। শুকনা পাতাগুলো সংগ্রহ করা উচিত। সোনা পাতা বিশেষ করে সকালবেলা সংগ্রহ করা উচিত। পাতাগুলো চেনার আরেকটি উপায় হচ্ছে লম্বাটে এবং কিছুটা সরু হয়ে থাকে। 

সোনা পাতা খাওয়ার নিয়ম 

সোনা পাতা খাওয়ার নিয়ম অবশ্যই আছে তবে সঠিক নিয়ম মেনে খেলে এটি আপনার পেটের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করে থাকবে। তবে দীর্ঘমেয়াদি পেটের সমস্যা সমাধানে এটি ব্যবহার করা যাবে না। যদি আপনি খুব বেশি কোষ্ঠকাঠিন্য পেটের সমস্যায় ভুগেন তাহলে অবশ্য আপনিও সোনা পাতা খেতে পারেন।

  • এক চা চামচ সোনা পাতা, এক কাপ গরম পানির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে এর সাথে সামান্য পরিমাণ মধু যুক্ত করে পানি ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন অর্থাৎ ১০ থেকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করার পর রাতে শোয়ার আগে এই উপকরণটি পান করুন। সকালে এর উপকারিতা সম্পর্কে আপনি বুঝতে পারবেন। 
  • এছাড়াও শুকনা সোনা পাতা এক কাপ পানির সাথে চুলায় ভালোভাবে ফুটিয়ে পানিগুলো ছেঁকে নেন। এবং পানি ঠান্ডা হয়ে গেলে এর সাথে এক চা চামচ মধু যুক্ত করে দিনে অথবা রাতে শোয়ার আগে খেয়ে নেবেন। 
  • এছাড়াও হাফ চা চামচ সোনা পাতা গুড়া, এক কাপ গরম পানিতে ভালোভাবে মিশিয়ে রাতে খেয়ে ফেলুন। বিশেষ করে সোনা পাতা রাতে খেলেই বেশি উপকার হয়। 
  • এছাড়াও বাজারে এখন সোনা পাতার ট্যাবলেট পাওয়া যায়। ট্যাবলেট গুলো খাওয়ার প্রণালী সেখানে রয়েছে আপনি সেগুলো দেখেই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে পারেন। 
  • সোনা পাতা এক কাপ গরম পানি, সামান্য আদা কুচি একসাথে ভালোভাবে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে এর সাথে একটু লেবু চিপে নিয়ে রাতে শোয়ার আগে খেতে পারেন। 

সোনা পাতা সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ 

সোনা পাতা আপনি বিভিন্নভাবে সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াজাত করে রাখতে পারেন। সোনা পাতা আপনি গাছ থেকে তুলে কাঁচা সংগ্রহ করতে পারেন এবং শুকনাও সংগ্রহ করে রাখতে পারেন। চলুন কিভাবে সোনা পাতা সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করে রাখা যায় আলোচনা করি।
সোনা-পাতা-কি-ওজন-কমায়

  •  প্রথমত সোনা পাতা সংগ্রহ করে পাতাগুলো ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন। 
  • এবার পাতাগুলোকে ভালোভাবে পানি ঝরিয়ে রোদে দাঁড়াতে করে শুকাতে দিন অথবা কোন কাপড়ের উপর দিয়ে রোদে শুকিয়ে নিন। 
  • পাতাগুলোতে যেন খুব বেশি রোদের তাপ এবং ধুলাবালি না লাগে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
  • পাতাগুলো যেন যখন সম্পন্ন শুকিয়ে যাবে অর্থাৎ মুজ মোজে হয়ে যাবে তখন আপনি কোন কাচের বোয়াম এ ভোরে রাখতে পারেন। এছাড়াও শুকনো পাতাগুলোকে ভালোভাবে গুড়া করে নিও রাখতে পারেন। 
  • পাতাগুলো অবশ্যই ঠান্ডা জায়গাতে রাখতে হবে। 
  • এছাড়াও বাজারে এখন বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাত সোনা পাতা পাওয়া যায়। সঠিক এবং কেমিক্যালমুক্ত সোনা পাতা দেখে কিনতে পারেন। 
  • তবে ভালো ও ভেজাল মুক্ত সোনা পাতা কিনতে চাইলে হোমিওপ্যাথিক অথবা ভেষজ দোকান থেকে কিনতে পারেন।

সোনা পাতা খাওয়ার সময় সর্তকতা 

সোনা কথা খাওয়ার সময় সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরী। কারণ যে কোনো জিনিস খাওয়ার সময় অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করে খাওয়া করে খাওয়া উচিত তাছাড়া এটি ভালোর থেকে ক্ষতি করতে পারে। অতিরিক্ত সোনা পাতা খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে এটি ডায়রিয়া এবং ডিহাইড্রেশন মতো সমস্যা হতে পারে।  

  • দিনে একবারের বেশি সোনা পাতা খাওয়া উচিত নয়। তবে ডোজ নিয়ন্ত্রণ রেখে খাওয়া উচিত। দীর্ঘমেয়াদি খাওয়ার ফলে অনেক ক্ষেত্রে অন্ত্রের কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে। যখন আপনি প্রয়োজন মনে করবেন তখনই খাবেন ভালো থাকলে খাওয়ার দরকার নাই। গর্ভবতী প্রসূতি মায়েরা অবশ্যই এটিই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাবেন। 
  • কারণ গর্ভাবস্থায় অনেক মেয়েদের কোষ্ঠকাঠিন্য জনিত সমস্যা হয়ে থাকে। যেহেতু এটি খেতে অনেক তিক্ত তাই অনেকে খাওয়ার সময় বমি করে দিতে পারে। গর্ভাবস্থায় অবশ্যই অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাবেন। 
  • শিশুদের সোনা পাতা খাওয়া উচিত নয় কারণ তাদের ইমিউনিটি বড়দের মত নয় তাই যদি খাওয়ার প্রয়োজন মনে করেন তাহলে ভালো চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে শিশুদের খাওয়াতে পারেন। 

শেষ কথাঃ সোনা পাতা কি ওজন কমায় 

অবশেষে আমরা বলতে পারি সোনা পাতা এক ধরনের ভেষজ জাতীয় উদ্ভিদ যা আমাদের শরীরের এবং অন্তরের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আজকের পুষ্টিতে আপনাদের সোনা পাতা খাওয়ার ফলে ওজন কমানো সম্ভব কিনা এবং এর উপকারিতা কি কি আলোচনা করেছি আশা করি আজকের পোস্টটি আপনাদের জন্য খুবই উপকারী হয়েছে। যদি পোস্টটি ভাল লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

টেকিসময় ডট কম ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url